কয়েকটি ছোট গল্প

0
58
কয়েকটি ছোট গল্প ও অন্যন্য

স্কুলের টিচার অ্যাসাইনমেন্ট দিয়েছে। অ্যাসাইনমেন্টের বিষয়: “What you want to be in your Life?”

সবাই অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিলো। টিচার অ্যাসাইনমেন্ট চেক করছে। এমন সময় দেখতে পেল যে এক স্টুডেন্ট অ্যাসাইনমেন্ট কপিতে শুধু “Happy” লিখে রেখেছে।

টিচার: “আমার মনে হয় তুমি অ্যাসাইনমেন্ট-টা কি তা বুঝতে পার নাই।”
স্টুডেন্ট: “হতে পারে ম্যা’ম। তবে আমার মনে হয় আপনি লাইফ-টা কি তা বুঝতে পারেন নাই।”

**********************************************************************************************

একটা ভদ্রলোক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি হঠাৎ দেখতে পেলেন যে রাস্তার পাশে ছোট্ট ছোট্ট দুইটা ছেলে-মেয়ে কাঁদছে।

— “খুকি, তুমি কাঁদছো কেন?”
== “আমার পুতুল ভেঙ্গে গেছে।” :((

— “খোকা, তুমি কাঁদছো কেন?”
~~ “আমার পুতুল কাঁদছে, তাই আমি কাঁদছি।”

************************************************************************************************

…… শেষ পর্যন্ত তাদের মাঝে ঝগড়া লাগলো। এরকম সিচুয়েশনে ঝগড়া লাগাটাই স্বাভাবিক।

ছেলে: “দেখ, তোমাকে শেষবারের মতো বলছি ওর[আগের প্রেমিক] আর আমার মধ্যে যেকোন একজনকে তোমাকে বেছে নিতে হবে। আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি, বাট আমি তোমার অপশন হিসেবে থাকতে পারবো না।”

মেয়ে: “নাহ, আমি ওকে ছাড়তে পারবো না। তুমি তো জানই যে ওর হার্টের প্রবলেমটা খুব বেশি সিরিয়াস। ও আর বেশি দিন বাঁচবে না। ওর জীবনের শেষ সময়টা অন্তত ওর পাশে কাটাতে চাই।”

ছেলে: “ওকে। ভালো থেক। গুড বাই ফরইভার।”

১০ দিন পর ….

মেয়ের আগের প্রেমিকের হার্ট ট্রান্সপ্লান্ট হয়েছে। এখন সে সম্পূর্ণ সুস্থ। মেয়েটা একসময় হার্ট ডোনারের পরিচয় জানতে ডক্টরের কাছে গেল। ডক্টর তখন মেয়েটাকে হার্ট ডোনারের দেওয়া একটা নোট দিলো। নোটটাতে লেখা ছিলো —

“My heart is only for you … So I gave my heart to him … Hope you’ll love me too …”

**************************************************************************************************

একদিন সেই ছেলেটা মেয়েটাকে চ্যালেন্জ করে বসলো। খুব সহজ একটা চ্যালেন্জ, “তুমি যদি আমাকে সত্যিই ভালোবাসো তাহলে তুমি আমার সাথে একটা সম্পূর্ণ দিন কোনরকম যোগাযোগ করবে না। যদি তুমি টানা ২৪ ঘন্টা যোগাযোগ না করে থাকতে পারো তাহলে আমি তোমাকে আজীবন ভালোবাসবো।”

মেয়েটা রাজি হলো। সে সারা দিন একবারও যোগাযোগ করলো না ছেলেটার সাথে। কোন ফোন-কল বা কোন এস.এম.এস. – কিছুই করলো না।

পরদিন মেয়েটা দৌড়ে গেল ছেলেটার বাসায়। মেয়েটা জানতো না যে ছেলেটার ক্যান্সার ছিলো আর তার আয়ু ছিলো মাত্র ২৪ ঘন্টা। মেয়েটার চোখ দিয়ে অঝোর-ধারায় পানি পড়লো যখন সে দেখতে পেলো, ছেলেটা কফিনের শুয়ে আছে আর তার পাশে একটা চিঠি। সেখানে লেখা আছে, “You did it baby. Can you do it everyday? I love you.”

Please follow and like us:
20

Comments

comments