ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্ত করার জন্য ম্যামোগ্রাম পদ্ধতি

0
8
ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্ত করার জন্য ম্যামোগ্রাম পদ্ধতি

ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্ত করার জন্য ম্যামোগ্রাম পদ্ধতি

ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্ত করার জন্য ম্যামোগ্রাম পদ্ধতি
ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্ত করার জন্য ম্যামোগ্রাম পদ্ধতি

ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্ত করার জন্য ম্যামোগ্রাম কার্যকরী একটি পদ্ধতি। ম্যামোগ্রাম হচ্ছে ব্রেস্টের এক্সরে করার একটি পদ্ধতি। প্রায় এক শতাব্দী পূর্বে ব্রেস্টের টিস্যু পরীক্ষা করার জন্য প্রথম এক্সরে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে ম্যামোগ্রামের জন্য যে এক্সরে মেশিন ব্যবহার করা হয় তাতে কম এনার্জির এক্সরে ব্যবহার করা হয়। এতে আগের তুলনায় কম রেডিয়েশন ব্যবহার করা হয়। আজকের এই ফিচারে ম্যামোগ্রামের বিষয়ে জানবো।

১। ৪০ এর কম বয়সের নারীদের ম্যামোগ্রাফি করার পরামর্শ দেয়া হয়না। কারণ কম বয়সের নারীদের ব্রেস্টের টিস্যুর ঘনত্ব বয়স্ক নারীদের তুলনায় বেশি হয়। ম্যামোগ্রাফিতে ঘন অংশকে সাদা দেখা যায়। ব্রেস্ট ক্যান্সারকেও সাদা দেখায় বলে চিহ্নিত করা কঠিন হয়।

২। আপনার পরিবারে যদি ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার ইতিহাস থাকে তাহলে চিকিৎসক আপনাকে ম্যামোগ্রাফি করার পরামর্শ দেবেন এবং আপনার বয়স ২৫ হলেও তখন তা করতে হবে।

৩। অনেকেই জানেন না যে ম্যামোগ্রাফি দুই ধরণের হয় – স্ক্রিনিং এবং ডায়াগনস্টিক। স্ক্রিনিং ম্যামোগ্রাফি হচ্ছে ব্রেস্টের রুটিন এক্সরে, যে নারীদের ব্রেস্ট ক্যান্সারের তেমন কোন লক্ষণীয় উপসর্গ দেখা যায়না তাদের করাতে হয়। সাধারণত ৪০ এর বেশি বয়সের নারীদেরই এটা করার পরামর্শ দেয়া হয়। অন্যদিকে ডায়াগনস্টিক ম্যামোগ্রাফি হচ্ছে ব্রেস্ট এক্সরে, যে নারীদের ব্রেস্ট ক্যান্সারের  লক্ষণ প্রকাশ পায় অথবা চিকিৎসক যদি ক্যান্সার হওয়ার সন্দেহ প্রকাশ করেন তাহলেই করতে বলেন।

৪। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ম্যামোগ্রাফি করানো ঠিক নয়। আপনার ব্রেস্টে যদি কোন অস্বাভাবিকতা দেখা যায় অথবা ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশিত হয় তাহলে প্রথমেই একজন ডাক্তারের সাথে দেখা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ডাক্তার নিজে পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার নির্দেশ দেবেন।

৫। ম্যামোগ্রাফি করতে ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে এবং এই পরীক্ষাটি করার পরই স্বাভাবিক কাজকর্ম করা যায়। ম্যামোগ্রাফি করার সময় বেশিরভাগ নারীই ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভব করে। ব্যথা যদি তীব্র হয় তাহলে যিনি ম্যমোগ্রাফি করাবেন সেই এক্সপার্টকে তা জানান।

৬। ম্যামোগ্রাফি করানোর উপযুক্ত সময় হচ্ছে পিরিয়ড হওয়ার ১ সপ্তাহ পর।

৭। ম্যামোগ্রাম করানোর দিন পাউডার বা পারফিউম ব্যবহার করা উচিৎ নয়। কারণ এগুলো ম্যামোগ্রামে ক্যালসিয়াম স্পটের মত দেখায়। গর্ভবতী নারীদের ম্যামোগ্রাম করানো উচিৎ নয়।

লিখেছেন- সাবেরা খাতুন

Save

Please follow and like us:
20

Comments

comments