আত্নবিশ্বাস বাড়াতে হয় কিভাবে? পড়ুন এই লেখা

0
17
আত্নবিশ্বাস বাড়াতে হয় কিভাবে? পড়ুন এই লেখা
আত্নবিশ্বাস বাড়াতে হয় কিভাবে? পড়ুন এই লেখা

আত্নবিশ্বাস বাড়াতে হয় কিভাবে? পড়ুন এই লেখা

আত্নবিশ্বাস বাড়াতে হয় কিভাবে? পড়ুন এই লেখা
আত্নবিশ্বাস বাড়াতে হয় কিভাবে? পড়ুন এই লেখা

আমরা সবাই কম বেশী সৃজনশীল। আপন মনে কেউ লেখেন কবিতা, কেউ করেন গুন গুন গান। কেউ আঁকেন ছোট্ট ফড়িং। সৃজণশীলতার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এই প্রয়াসগুলো এক সময় বড় হয়ে আমাদের অনেককে প্রকাশিত করে বড় কোন শিল্পি হিসেবে। কিন্তু অনেকেই পিছিয়ে পড়েন, চর্চা থেমে যায় ছেলাবেলায়।

আপনি নিজেই হয়ত নিজের সাথে যুক্ত করতে পারবেন কথাগুলো। অথবা কোন বন্ধুর কথা নিশ্চই মনে পড়ছে যে চমৎকার গান করত। কিন্তু আর শোনা যায় না তার কন্ঠ, এমনকি একা কোন বৃষ্টিভেজা বিকেলেও। আপনি জেনে অবাক হবেন, কিন্তু সত্যি হল- মানুষের সৃষ্টিশীলতাকে নষ্ট করার মূলে রয়েছে বিব্রতবোধ, লজ্জা। ঝেড়ে ফেলুন জীবন থেকে এই শত্রুকে।

জেমস ক্লিয়ার তার সৃজনশীল জীবনযাপন বিষয়ের একটি লেখায় ‘ইউরেকা’ মুহূর্ত, ‘আহা’ বা ‘লাইট বাল্ব’ মুহূর্তকে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি মনে করেন, প্রতিভা জন্মগত নয়। মানুষের জীবনে কখন কোন মুহূর্তটি তার প্রতিভাকে প্রকাশের সুযোগ করে দেবে বলা যায় না। এর সবচেয়ে ভাল উদাহরণ স্যার আইজ্যাক নিউটন।

১৬৬৬ সালে তিনি একটি আপলকে দেখেন গাছ থেকে পড়তে। তিনি কি জিনিয়াস হয়েই জন্মেছিলেন? না। ছোটবেলায় তার পড়াশোনার ফলাফল ছিল খুবই খারাপ। শিক্ষকরা তার ব্যাপারে আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন বলা যায়! সেই তিনিই পরবর্তীতে তার সময়ের শ্রেষ্ঠ গণিতবিদ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরলেন। কিভাবে সম্ভব হল এটি? সম্ভব হল, কারণ সকল ধরণের উপহাসকে উপেক্ষা করে তিনি ক্রমাগত চালিয়ে গেলেন নিজেকে উন্নত করার লড়াই।

আপেল গাছের নিচে বসে যখন তিনি দেখলেন আপেলটি পড়ে গেল তখন তিনি ভাবলেন, কেন সবসময় আপেল সরাসরি মাটিতেই পড়ে? কেন সেটি ডানে বা বামে পড়ে না? এইসব অদ্ভুত হাস্যকর প্রশ্ন থেকেই কিন্তু আজকের গ্রাভিটি সূত্রের জন্ম।

“The falling apple was merely the beginning of a train of thought that continued for decades,” Clear নির্দিষ্ট করে বলেন।

আপনি যখন কোন কিছু সৃষ্টি করতে যাচ্ছেন তখন তার বিশেষত্ব শুধু আপনিই টের পান। অন্যেরা না বুঝেই সমালোচনা করেন, হাসাহাসি করেন। আপনি যদি সেই মুহূর্তে থেমে যান তাহলে আপনার সাথে বন্ধ হয়ে যায় বিকাশও। নিজের চিন্তার উপর ফোকাস করুন। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন। অন্যরা যাই মনে করুক না কেন আপনি শুধু কাজে মন দিন।

প্রশ্ন শুনে বিব্রত হতে থাকলে কখনোই এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ছোট্ট উদাহরণেই বোঝা যায় সেটা। আপনি খুব ভাল বক্তব্য লিখে, ভাল প্রস্তুতি নিয়ে স্টেজে উঠলেন। কিন্তু আপনাকে দেখেই ঠাট্টা করতে লাগলো কিছু মানুষ। আপনি যদি লজ্জা পেয়ে স্টেজ থেকে নেমে যান, হেরে গেলেন সেখানেই। আর যদি সব তামাশা উপেক্ষা করে শুধু মনোযোগ দেন আপনার কাজে, তাহলে দেখবেন যারা হাসি ঠাট্টা করছিলেন তারাও যোগ দিয়েছেন হাত তালিতে। তাই, লজ্জা ভুলে এগিয়ে যান শুধু সামনের দিকে।-

আফসানা সুমী

Save

Please follow and like us:
20

Comments

comments