কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যেকোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।

0
19
কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যেকোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।
কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যেকোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।

যেকোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে

কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির পক্ষ থেকে বলা  হচ্ছে যেকোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।
কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যেকোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা পক্ষ ত্যাগ করে সিউলে পাড়ি জমিয়েছেন। যেকোনো উপায়ে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পিয়ংইয়ং সন্ত্রাসী হামলা বা অন্য কোনো প্ররোচনামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক। এরই মধ্যে গতকাল থেকে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র বিস্তৃত পরিসরে সামরিক মহড়া শুরু করার পর উত্তর কোরিয়া তীব্র নিন্দা জানানোর পাশাপাশি পারমাণবিক হামলার হুমকি দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের পরিস্থিতি দুই কোরিয়াকে যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিতে পারে। খবর ব্লুমবার্গ ও এএফপি।

গতকাল থেকে ‘উলচি ফ্রিডম ড্রিল’ নামে দুই সপ্তাহব্যাপী বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। মোট ৭৫ হাজার সৈন্য এ মহড়ায় অংশ নিয়েছে, যার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ৫০ হাজার ও যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ হাজার সেনা রয়েছে। এ ধরনের মহড়া বরাবরই দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে দেয়। চলতি বছর তা আরো বিশেষ রূপ পেয়েছে। কারণ উত্তর কোরিয়ার বেশ কয়েকজন শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তা দক্ষিণে চলে যাওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরো নাজুক হয়ে পড়েছে।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ মহড়ার নিন্দা করে ‘উলচি ফ্রিডমকে’ একটি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ কার্যক্রম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রম কোরীয় উপদ্বীপকে যুদ্ধের মুখে ঠেলে দেবে বলেও সতর্ক করা হয়। এর ওপর কোরিয়ান পিপলস আর্মি (কেপিএ) এই মহড়ার জবাব সামরিকভাবে দেবে বলে হুঁশিয়ার করেছে। তারা দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়াকে হঠাত্ করে পারমাণবিক হামলা ও উত্তর কোরিয়ার ওপর আক্রমণের রিহার্সেল হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরুর পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক জাতীয় নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট এক বৈঠকে বলেন, উত্তর কোরিয়ার শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এই পক্ষ ত্যাগের মাধ্যমে বোঝা যায়, দেশটির সরকার ব্যবস্থায় ‘মারাত্মক ফাটল’ ধরেছে। এ অবস্থায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন পরিস্থিতি হাতের মুঠোয় রাখতে সব রকম চেষ্টা করবে।

প্রেসিডেন্ট পার্কের এই মন্তব্য দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুই কোরিয়ার মধ্যে পরিস্থিতি এখন এমন অবস্থায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যে, মনে হচ্ছে যেকোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। সূএ-

Bangla Telegraph Korea

Please follow and like us:
20

Comments

comments