আমেরিকায় পারমিটের সুবিধা নিয়ে জানতে হলে এই লেখাটি পড়ুন

0
12
আমেরিকায় পারমিটের সুবিধা নিয়ে জানতে হলে এই লেখাটি পড়ুন
আমেরিকায় পারমিটের সুবিধা নিয়ে জানতে হলে এই লেখাটি পড়ুন

আমেরিকায় পারমিটের সুবিধা নিয়ে জানতে হলে এই লেখাটি পড়ুন
আমেরিকায় পারমিটের সুবিধা নিয়ে জানতে হলে এই লেখাটি পড়ুন

আমেরিকায় পারমিটের সুবিধা নিয়ে জানতে হলে এই লেখাটি পড়ুনঃ

আমেরিকায় এসে সন্তান জন্ম দেওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। সন্তান জন্ম দিয়ে আমেরিকার পাসপোর্ট নিয়ে অনেকেই দেশে ফিরে যান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নির্বাহী আদেশের পর বাংলাদেশে থাকা আমেরিকান সিটিজেনদের বাংলাদেশি অভিভাবকেরা ওয়ার্ক পারমিটের সুবিধা পাবেন কি-না এ নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে।

আমেরিকায় এসে সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রবণতা সব সময়ই ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রবণতা আরো বেড়েছে। অবস্থাসম্পন্ন অনেক বাংলাদেশি উন্নত চিকিৎসার জন্য কিংবা বিশেষ প্রয়োজনে আমেরিকা এসে বাধ্য হয়ে এখানে সন্তান জন্ম দেন। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও ফেডারেল আইন অনুযায়ী এখানে জন্মগ্রহণকারী শিশু জন্মগতভাবে আমেরিকান সিটিজেন হিসেবে বিবেচিত হয়। জন্মের এক মাসের মধ্যে আমেরিকান পাসপোর্টও ইস্যু হয় তাদের নামে।

এসব সন্তানের অভিভাবকেরা আবার সন্তানদের নিয়ে দেশেও ফিরে যান। এখন প্রশ্ন হলো, এসব অভিভাবকেরা কী ওবামার নির্বাহী আদেশের আওতায় পড়বেন? এ বিষয়ে নিউইয়র্কের সিনিয়র ইমিগ্রেশন আইনজীবী এটর্নি শেখ সেলিম বলেন, পাঁচ বছর আগে আমেরিকায় আসা আনডকুমেন্টডদের নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন ওবামা। তাই যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী সন্তানের অভিভাবকেরা যারা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে চলে গিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

এদিকে, পাঁচ বছরের কম সময় ধরে অর্থাৎ ২০১১ সালে যারা বৈধভাবে আমেরিকায় এসেছেন এবং পরবর্তীতে কাগজপত্রবিহীন হয়েছেন তাদের ভবিষ্যত কী হবে এ নিয়েও জল্পনা কল্পনা রয়েছে। কেননা, পাঁচ বছরের মধ্যে আমেরিকায় আসা বাংলাদেশিদের সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও এ সংখ্যা কম নয়। এটর্নি শেখ সেলিম বলেন, এসব অভিবাসীও প্রেডিডেন্টের নির্বাহী আদেশের আওতায় পড়বেন না। তবে তিনি বলেন, যাদের ইমিগ্রেশন কেইস প্রক্রিয়াধীন তাদের ক্ষেত্রে ওবামার নির্বাহী আদেশের পর সিদ্ধান্ত গ্রহণে দৃষ্টিভঙ্গিও পরিবর্তন হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখানো হতে পারে বলেও মনে করেন তিনি। শেখ সেলিম বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা আমেরিকাকে ইমিগ্র্যান্টদের দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন। তাই এদেশে ইমিগ্র্যান্ট হতে চাওয়া অন্যায় কিছু নয়। ”   সূএ-যোগাযোগ

Please follow and like us:
20

Comments

comments