ঈদ মুবারক- এলো খুশির ঈদ- ২০১৬

0
1175
ঈদ মুবারক- এলো খুশির ঈদ- ২০১৬

ঈদ মুবারক! ঈদ মুবারক! ঈদ মুবারক!

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর এসে গেলো খুশির ঈদ। কাল, ০৭/০৭/২০১৬ তারিখে বাংলাদেশে ঈদ উদাযাপিত হবে। এছারা ০৬/০৭/২০১৬ তারিখে চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে পৃথিবীর অনেক দেশেই ঈদ উল ফিতর উদযাপিত হয়েছে।

প্রবাসী জীবন ব্লগের পক্ষ থেকে সবাই কে জানাই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর-২০১৬ এর আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা!

সবাইকে ঈদ মুবারক!

eid-ul-fitr-2016-probashi-jibon

ঈদ খুশির আনন্দের সুখের! ঈদ সবার জন্য। ঈদ মানেই আনন্দ! ঈদ মানেই পরিবার পরিজনের সাথে আনন্দ সুখের ভাগীদার হবার শ্রেষ্ঠ সুযোগ। ছোট বড় সবার জন্য ঈদ এক আনন্দের নাম ছাড়া কিছুই নয়। ঈদে সবাই ভালো মন্দ, হরেক রকমের রান্না করে থাকে। সবাই নতুন জামা নিয়ে থাকে।

ঈদের সব থেকে মজার জিনিস হলো সকাল বেলা গোসল করে নামাজ পড়তে যাওয়া। আমি আজকে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষ্যে ঈদের নামাজ পরার একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিচ্ছিঃ

ঈদের নামাজ যেভাবে পরবেনঃ

আমরা জানি আরবি মাস ২৯ ও ৩০ দিনে হয়। রমজান মাসের ২৯ তারিখ চাঁদ দেখা গেলে রমজানের রোজা ৩০ দিন পূর্ন করতে হবে। ৩০ রমজান চাঁদ দেখা না গেলেও পরদিন হবে শাওয়াল মাসের প্রথম দিন। আর এদিনই পালিত হবে পবত্রি ঈদুল ফিতর। তাছাড়া হজের মাসে রয়েছে আত্ম ত্যাগের ঈদ কুরবানি। এ ঈদকে ঈদ-উল-আজহা বা কুরবানির ঈদ বলা হয়। বছরে মুসলিম উম্মাহ এ দুই দিনই ঈদের নামাজ পড়ে থাকে। ঈদের নামাজ পড়ায় দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার কারণে অনেকেই ঈদের নামাজের নিয়মগুলো ভুলে যায়। তাই আজ প্রবাসী জীবনের পক্ষ থেকে ঈদের নামাজ পড়ার নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো-

>> ঈদের নামাজ দুই রাকাআত। যা আদায় করা ওয়াজিব এবং তা জামাআতের সহিত পড়তে হয়।
>> ঈদের দুই রাকাআত নামাজে অতিরিক্ত ছয় তাকবির দিতে হয়ে।

প্রথম রাকাআত
আল্লাহ তাআলার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে ঈদ-উল-ফিতরের দুই রাকাআত ওয়াজিব নামাজ ছয় তাকবিরের সাথে ইমামে পিছনে আদায় করছি-
>> তাকবিরে তাহরিমা- ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নিয়ত বাধবেন।
নিয়ত বাধার পর ইমাম এবং নামাজরত মুসুল্লিরা এই ছানা পড়বেঃ

“সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তাআলা ঝাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুক।”

তারপর ইমামের উচ্চস্বরে তাকবির বলার সঙ্গে মুসল্লিরাও তাকবির বলবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবির বলার সময় উভয় হাত কান বরাবির ওঠিয়ে ছেড়ে দিবেন। তৃতীয় তাকবিরের সময় উভয় হাত কান বরাবর ওঠিয়ে না ছেড়ে হাত বাধবেন।

অপঃপর ইমাম সাহেব সুরা ফাতিহা এবং অন্য সুরা মিলিয়ে রুকু, সিজদা করবেন; মুসল্লিরাও ইমামের সঙ্গ রুকু সিজদা করবেন।

দ্বিতীয় রাকাআত
ইমাম সাহেব দ্বিতীয় রাকাআতে সুরা ফাতিহা ও অন্য সুরা মিলানোর পর রুকুতে যাওয়ার পূর্বে অতিরিক্ত তিন তাকিবর প্রথম রাকআতের মতোই আদায় করবেন। অতপর রুকু-সিজদা করার পর অন্যান্য নামাজের মতোই নামাজ সম্পন্ন করবেন।
উভয় ঈদের আগে পরে কোনো নফল বা সুন্নত নামাজ নেই। এমনকি ঈদের নামাজের জন্য কোনো আজান ও ইক্বামাতেরও প্রয়োজন নেই।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সুন্দরভাবে ঈদের নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Please follow and like us:
20

Comments

comments